মিয়াঁওওওও।
বিনা প্ররোচনায় একেবারে ঝম্প দিয়ে কোলে উঠে মৌরুসিপাট্টা গেড়ে গুটিপাটি বসা। জন্মজন্মান্তরের
দাবি। হ্যাঁ। তিনি এরকমই। তার ওপর কথা নেই বার্তা নেই জেলায় জেলায় বোর্ডের পরীক্ষায়
কৃতীদের ঘনত্ববৃদ্ধি আর বৃষ্টির সেন্টি বৃদ্ধি। কাঁহাতক নেওয়া যায়! ঝটিকা সফরে গিয়েছিলেন
কাঁহা কাঁহা মুল্লুক। কদিন জঙ্গলে হাওয়া খেয়ে কদিন পাহাড়ে পাহাড়ে ঠাণ্ডা মেখে এই সবে
অধমদের দিকে ফিরেছেন। ফিরবার পথে গায়ে ক ফোঁটা না কি জল পড়েছে। কিসের জল খোলসা করবার
দরকার পড়েনি। তিরিক্ষি মেজাজেই মালুম ও বৃষ্টি নয় বাপু, এসি চোঁয়ান টুপুকটাপুক। তা
ফিরেও ফিরছিলেন না। ঠমকে গমকে চলছিলেন মাস খানেক। নববর্ষে আসতে পারেন বলে গোটা কবিপক্ষ
বেমালুম সাবড়ে দিলেন। ফ্রিজে খামোকাই আম-লিচু ঠাণ্ডা হল। তাপ্পরে এই এখন কোথাও কোনও
ঘোষণা নেই, রক্তদান শিবিরের সঙ্গে রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যার সামাজিক-সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন
নেই। তিনি এলেন। যেন মাঝে কোনও বিচ্ছেদ ঘটেনি। আমরাও নাচার। কারণ বিরহসন্তাপের সাক্ষ্য
দেবার মতো মেঘদূত-ও যথেষ্ট হাজির নেই। তিনি দেখলেন। বন্ধুরা আদরের গুরগুরুনি টের পাচ্ছ
জানি। তিনি জয় করলেন। সুতরাং তাঁর আগমন নয় যারপরনাই আবির্ভাব স্বাগত। কিছু সময়ের পরে
আসায় ম্যাকারেল সামান্য কুণ্ঠিত হতে পারত। কিন্তু ও স্বতঃই সপ্রতিভ। ঘাড়ে গলায় আদর
পেতে পেতে শিগগিরই হালুম বলে কাঁধ ঝাঁকিয়ে সটান। বন্ধুরাও অতএব আসুন, ম্যাকারেল দেখুন
আর ভালো লাগা, খারাপ থাকা জানান। আপাতত সেই অপেক্ষায়, বিদায়...